PRISM দিয়ে সমস্যা থেকে সমাধানের গল্প সাজান
Problem, React, Inspire, Social Proof, Move কনটেন্টের পাঁচটি অংশকে একটি ফ্রেইমে আনুন।
“আমরা ভালো সার্ভিস দিই”—এই কথাটি পাঠকের পরিস্থিতি বোঝায় না। বইয়ের PRISM মডেল কনটেন্টকে এমনভাবে সাজাতে বলে, যাতে মানুষ নিজের সমস্যা, সম্ভাব্য সমাধান এবং পরবর্তী পদক্ষেপ বুঝতে পারেন।
P — Problem: পরিচিত সমস্যাটি বলুন
আপনি কী করেন, তার আগে পাঠকের কী প্রয়োজন সেটি বলুন। যেমন, “ওয়েবসাইটে মানুষ আসছেন, কিন্তু যোগাযোগ করছেন না?” এই শুরুটি একটি নির্দিষ্ট পরিস্থিতিকে সামনে আনে। যাঁর সমস্যা নয়, তাঁকে জোর করে টানার প্রয়োজন নেই।
R — React: সমস্যার প্রভাব পরিষ্কার করুন
সমস্যাটি থাকলে বাস্তবে কী অসুবিধা হয়, সেটি ব্যাখ্যা করুন। প্রভাব বোঝাতে বানানো পরিসংখ্যান বা অতিরঞ্জিত ভয় ব্যবহার করার দরকার নেই। উদাহরণস্বরূপ, অস্পষ্ট যোগাযোগের তথ্য থাকলে আগ্রহী ক্রেতাও প্রশ্ন করার পথ খুঁজে না-পেতে পারেন।
I — Inspire: সমাধানের পথ দেখান
সমাধানটি কীভাবে কাজ করে তার যুক্তিসঙ্গত ব্যাখ্যা দিন। শুধু ফলাফলের প্রতিশ্রুতি নয়, প্রক্রিয়া দেখান—বার্তা পরিষ্কার করা, প্রয়োজনীয় তথ্য যোগ করা, একটি দৃশ্যমান যোগাযোগ বাটন রাখা।
S — Social Proof: বাস্তব প্রমাণ রাখুন
অনুমতিসহ গ্রাহকের মতামত, কাজের নমুনা বা প্রাসঙ্গিক অভিজ্ঞতা ব্যবহার করুন। বইয়ের উদাহরণে থাকা সংখ্যা আপনার ব্যবসার অর্জন হিসেবে ব্যবহার করবেন না। আপনার নিজের প্রমাণটিই পাঠকের জন্য সবচেয়ে প্রাসঙ্গিক।
M — Move: পরের ধাপটি সহজ করুন
পাঠক এখন কী করবেন তা নির্দিষ্ট করে বলুন—বইটি পড়বেন, একটি নমুনা দেখবেন, নাকি WhatsApp-এ আলোচনা করবেন। বাটনের ভাষা ও গন্তব্য যেন মিলে যায়। “ফ্রি PDF নিন” চাপলে কী হবে, সেটিও আগে বোঝান।
সমস্যা → প্রভাব → সমাধান → প্রমাণ → পরবর্তী পদক্ষেপ।
এই ধারাটি লেখার সহায়ক কাঠামো। নিজের পাঠকের ভাষা, প্রয়োজন ও বাস্তব তথ্য দিয়ে ভরাট করলেই এটি অর্থপূর্ণ হয়।
