সুন্দর ওয়েবসাইটেও বিশ্বাসের ঘাটতি থাকে কেন?
ডিজাইন ভালো হলেই সব প্রশ্নের উত্তর থাকে না। ভিজিটরের চোখে নিজের ওয়েবসাইট দেখার ছয়টি পজিশন দেখুন।
আপনার ওয়েবসাইট দেখতে সুন্দর। ছবি আছে, পণ্যের তালিকা আছে, যোগাযোগের বাটনও আছে। তবুও একজন নতুন ভিজিটরের মনে প্রশ্ন থাকতে পারে: এরা কারা, আমার জন্য কী করতে পারবে, আর কথা বলার পরে কী হবে? বিশ্বাসের ঘাটতি অনেক সময় এই উত্তর না-পাওয়ার জায়গাতেই তৈরি হয়।
১. কোন তথ্যটি আগে দেখাবেন?
একই সঙ্গে অনেক রং, অফার ও বাটন চোখে পড়লে পাঠক কোথা থেকে শুরু করবেন বুঝতে পারেন না। বইয়ের ডিজাইন আলোচনার ব্যবহারিক পাঠ হলো—একটি পরিষ্কার শিরোনাম, তার সঙ্গে প্রাসঙ্গিক ব্যাখ্যা এবং একটি প্রধান পরবর্তী পদক্ষেপ রাখুন।
২. অভিজ্ঞতা কি মোবাইলেও সহজ?
ছোট পর্দায় লেখা পড়া, বাটনে চাপ দেওয়া ও প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া সহজ কি না, নিজে পরীক্ষা করুন। ধীরে লোড হওয়া ছবি বা পর্দার বাইরে চলে যাওয়া অংশ শুধু অসুবিধাই করে না; আপনার ব্যবসা সম্পর্কে ধারণাতেও প্রভাব ফেলতে পারে।
৩. দাবি আছে, কিন্তু প্রমাণ কোথায়?
শুধু “সেরা সার্ভিস” বলার বদলে কাজের ধরন, বাস্তব উদাহরণ এবং অনুমতিসহ গ্রাহকের অভিজ্ঞতা দেখান। সংখ্যা বা রিভিউ ব্যবহার করলে সেটি যেন যাচাইযোগ্য হয়। প্রমাণ না থাকলে পরিষ্কার প্রক্রিয়া ও বাস্তব কাজের নমুনা দিয়েও শুরু করা যায়।
৪. ব্র্যান্ড ও তথ্যের ধারাবাহিকতা
লোগো, রং, ভাষা ও যোগাযোগের তথ্য মিলিয়ে দেখুন। এক জায়গায় এক রকম নাম, অন্য জায়গায় অন্য রকম প্রতিশ্রুতি পাঠককে থামিয়ে দিতে পারে। পণ্যটি কার জন্য, কী পাবেন এবং কী পাবেন না—প্রয়োজনীয় উত্তর সামনে রাখুন।
আজ একটি ছোট পরীক্ষা করুন
আপনার সাইটটি একজন নতুন মানুষকে দেখিয়ে জিজ্ঞেস করুন: আমরা কী করি, কার জন্য করি, আর এখন আপনি কী করবেন? উত্তর শুনুন। বইয়ে হিটম্যাপের কথাও আছে—ভিজিটর কোথায় থামছেন বা ক্লিক করছেন, তা দেখে আপনার ধারণা যাচাই করতে পারেন।
নিজের ওয়েবসাইটকে বিক্রেতার চোখে নয়, প্রথমবার আসা একজন মানুষের চোখে দেখুন।
